মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে ৪নং কুমেদপুর ইউনিয়ন

 কুমেদপুর ইউনিয়নের পশ্চিমে ৫নং মদনখালী ও ২নং ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন,পুর্বে ৯নং পীরগঞ্জ,উত্তরে ৩নং বড়দরগাহ এবং ২নং ভেন্ডাবাড়ী এবং দক্ষিনে ৮ নং রায়পুর  ইউনিয়ন অবস্থিত।

 

বর্তমান পরিষদ

 

ক্রমিকনং

     নাম

ওয়ার্ড

মোবাইলনং/ই-মেইল

            মন্তব্য

০১

 মোঃ আব্দুস ছালেক

  (বি,এস-সি)

চেয়ারম্যান

৪নং কুমেদপুর

ইউ,পি

01712226877.

Email:chairmenkumedpur@gmail.com

Email:chairmenkumedpur@gmail.com

০২

মোছাঃ  শিরিনা বেগম

১,২,৩

01784705098

 

০৩

মোছাঃ বিলকিছ বেগম

৪,৫,৬

 01751161913

০৪

শ্রীমতি আন্না অধিকারী

৭,৮,৯

01750741244

০৫

মোঃ সাইফুল ইসলাম

০১

01737581278

০৬

মোঃ হারুনার রশীদ

০২

01744708152

০৭

মোঃ আব্দুল কাইয়্যুম  মন্ডল

০৩

01751553321

০৮

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক

০৪

01721012817

০৯

মোঃ      মোস্তাফিজার রহমান

০৫

01742492020

১০

মোঃ মকবুল হোসেন

০৬

01746604226

১১

মোঃ শহিদুল ইসলাম

০৭

01722733085

১২

মোঃ ছাইদুর রহমান

০৮

01729517895

১৩

মোঃ সিরাজুল ইসলাম

০৯

01722080074

 

১৪

মোঃ মনোয়ার

  হোসেন

উদ্যোক্তা

01751938392

monowarhossen1970@gmail.com

 

 

  monowarhossen1970@gmail.com

১৫মোছাঃ রেবেকা সুলতানাসচিব০১৭৩৭৯৯৩৩২০ 
পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দঃ

 

পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দঃ

 

ক্রমিক নং

   চেয়ারম্যানের নাম

   হইতে

   পয্যন্ত

  পদবী

   মন্তব্য

০১

মৌঃ আবুল ফজল চৌধুরী

১৯২৬ ইং

 

পঞ্চায়েত

বৃটিশ সরকার কর্তৃক মনোনিত

০২

খাঁন সাহেব মৌঃ মনুয়ার হোসেন খাঁন চৌধুরী

১৯২৭ ইং

 

প্রেসিডেন্ট

নিবাচিত

০৩

শাহ আব্দুস সালেক

১৯৪৫ ইং

 

প্রেসিডেন্ট

নিবাচিত

০৪

আলহাজ মোঃ হোসেন খাঁন চৌধুরী

১৯৪৮ ইং

 

কালেক্টিং এজেন্ট

মনোনিত

০৫

মৌঃ মোঃ কফিলার রহমান

১৯৬৪ ইং

১৯৭০ ইং

প্রেসিডেন্ট

নিবাচিত

০৬

মৌঃ মোঃ মাকসুদার রহমান খাঁন

০১-০১-১৯৭১ ইং

২৮-০১-১৯৭৪

রিলিফ চেয়ারম্যান

মনোনিত

০৭

মৌঃ মোঃ মাকসুদার রহমান খাঁন

০১-০৩-১৯৭৪ ইং

২৮-০২-১৯৭৭ ইং

চেয়ারম্যান

নিবাচিত

০৮

মৌঃ আলহাজ্ব হোসেন খাঁন চৌধুরী

০১-০৩-১৯৭৭ ইং

৩০-০৯-১৯৮৩

চেয়ারম্যান

নিবাচিত

০৯

মোঃ খায়রুল ইসলাম সরকার

 দফাদার ও মহাল্লাদারদের নামঃ

 

ক্রঃনং

নাম

পদবী

মোবাইল নম্বর

           ছবি

০১

শ্রী নরেন্দ্র নাথ রায়

দফাদার

১২৩৪৫৬৭৮৯৮৯

০২

মোঃ এমাজ উদ্দীন

দফাদার

 

০৩

মোঃ আবুল হোসেন আলী

গ্রাম পুলিশ

 

০৪

মোঃ আনছার আলী

গ্রাম পুলিশ

 

০৫

শ্রী চন্দ্র কিশোর রায়

গ্রাম পুলিশ

 

০৬

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক

গ্রাম পুলিশ

 

০৭

মোঃ সবুজ মিয়া

গ্রাম পুলিশ

 

০৮

মোঃ আব্দুল মজিদ

গ্রাম পুলিশ

 

 

০৯

মোঃ ছলিম উদ্দীন

গ্রাম পুলিশ

 

১০

শ্রী সনজিৎ মোহন

গ্রাম পুলিশ

প্রক্রিয়াধীন

 

০১. ইউনিয়নের আয়তনঃ ৫৭,৯৯,৮৪ একর ।

০২. ইউনিয়নের গ্রামের সংখ্যাঃ ১৮ টি।

০৩. মোট লোক সংখ্যাঃ ২০,৭০৪জন (পুরুষ: ১০৩২৮জন + মহিলা: ১০৩৭৬জন)।(২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)।

০৪. মোট ভোটার সংখ্যাঃ ১৫,২৬৪জন (পুরুষ:৭৯২৯+ মহিলা: ৭,৩৩৫জন)।

০৫. কাচা রাস্তার সংখ্যাঃ ৯৭কিলোমিটার।

০৬. পাকা রাস্তার সংখ্যাঃ ১৩কিলোমিটার।

০৭. শিক্ষার হারঃ ৫৩.২.৩%

০৮. প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাঃ ১২টি(০৯টি সরকারী + টি রেজিঃ সরঃপ্রাঃবিঃ)।

০৯. উচ্চ বিদ্যালয়ের সংখ্যাঃ টি৫ টি ।

১০. এবতেদায়ীর সংখ্যাঃ ০৬ টি।

১১. মাদ্রাসার সংখ্যাঃ  ২টি ।

১২. বাজারের সংখ্যাঃ বাজারের সংখ্যাঃ ২টি।

১৩. সবমোট খানাঃ

১৪. মসজিদের সংখ্যাঃ ২৩টি।

১৫. প্রধান পেশাঃ কৃষী।

১৬. প্রধান ফসলঃ ধান,গম,আঁখ, পাট,আলু,ভুট্টা,ইউক্লাপ্টার গাছ।

১৭. নলকূপঃ গোড়া পাকাঃ ১০২০টি, গোড়া কাচাঃ ২০টি।

১৮. পায়খানাঃ পাকাঃ ১০৭৫টি, রিংস্লাবঃ৩০৫০টি,ব্যাবহার কারীঃ ৮০০টি।

১৯. মুক্তি যোদ্ধাঃ ৬ জন। 

 

 

 

অফিসের অবস্থান

পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে ১৩ কিঃমিঃ পশ্চিমে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পাশ্বে, সবুজ বৃক্ষের ছায়ায় মনোরম পরিবেশে ৪নং কুমেদপুর ইউনিয়ন পরিষদটি অবস্থিত।

 বাজারঃ

২টি

 (১)কুমেদপুর বাজার

(২) রসুলপুর বাজার

 

মোট আবাদী জমিঃ

৪৪.৭৮০ হেক্টর

অনাবাদী জমিঃ ১৩,৮০ একর।

সেভ যোগ্য জমিঃ ৯০,৩৭,৫০ একর।

গভীর নলকুপঃ ২২ টি।

অ-গভীর নলপকুপঃ ৪৫৭ টি।

হস্তচালিত নলকুপঃ ১৫৪৭ টি।

বড়পুলঃ ৪ টা।

মাঝারী পুলঃ ২০ টি।

ছোট পুলঃ ২১ টি।

শিক্ষার হারঃ

৫২.৮%

 

কৃর্ষকের হারঃ

৬৩%

 

শ্রমিক ও দিন মজুরঃ

৩০%

 

চাকুরী জীবিঃ

০৭%

 

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ-রাস্তার দিক থেকে-কুমেদপুর ইউনিয়ন পীরগঞ্জ উপজেলা ঢাকা-রংপুর,মহাসড়ক থেকে পাঁকারাস্তা (১৩কিঃমিঃ উত্তর পশিমে) এবং ঢাকা-রংপুর,মহাসড়ক বড়দরগাহ হইতে ৭ কিঃমিঃ দক্ষিন পশ্চিমে পাঁকারাস্তা সংযোগ স্থল।তাছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের  সাথে যোগাযোগের জন্য ২৩ কিঃমিঃ কাঁচারাস্তা এবং ১৩ কিঃমিঃ পাঁকারাস্তা এই ইউনিয়নে আছে।যানবাহনের দিক থেকে এখানে আসতে হলে এই ইউনিয়নে পাঁকা রাস্তা থাকলেও বাস চলাচল এখন ও শুরু হয়নি। আশাকরা যায় আগামীতে দ্রত-যানে সরাসরি উপজেলা/জেলা থেকে এই ইউনিয়নে আসতে পারবেন, বর্তমানে বাইসাইকেল, ভ্যান,রিক্সা, মোটরসাইকেল, ভটভটি,ভাড়ায় মাইক্রোতে আসতে পারবেন।

 

কুমেদপুর ইউনিয়নের ইতিহাস অনেক দিনের পুরানো। এক সময় এখানে অনেক রাজা জমিদার বাস করতেন।কথিত আছে মুঘল আমলে আখিরা নদীর সঙ্গে কয়েকটি বিল আছে যাহা কুমেদপুর গ্রামের আশেপাশে অবস্থিত।যেমনঃ ঘুঘার বিল,ধন তোলার বিল,মাল তো্লার বিল,পুয়াগাড়ীর বিল এবং জালনগাড়ী বিলে অসংখ্য পদ্মফুল ফুটত। এই পদ্ম ফুল 'কুমদ ফুল' হিসেবে পরিচিত। তারই সুত্রধরে এই গ্রামকে 'কুমদ' থেকে কুমেদপুর নাম রুপান্তরিত করা হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন, এক কালে এই এলাকা হিন্দু রাজাদের দখলে ছিল।তেমন এক রাজার নাম ছিল রাজা গৌরি চন্দ্র পাল।তার একজন সুন্দরী মেয়ে ছিল নাম ছিল তার 'কুমোদিনী'।তারই নাম অনুসারে এই গ্রামের নাম কুমেদপুর করন করা হয়েছে বলে অনেকের ধারনা।এই ইউনিয়নের আর কোন ইতিহাস আপনার জানা থাকলে বা সংগ্রহে থাকলে অনুগ্রহ পুর্বক যোগাযোগ করুন 01784581767-এই নম্বরে। আপনার মুল্যবান তথ্য এই পোর্টালকে আর আকর্ষনীয় ও যৌবনময়ী করে তুলবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

ভাষা ও সংস্কৃতি

মানুষের আবেগ, অনুভূতি, অভিব্যক্তি, চিন্তা, চেতনা সবকিছু প্রকাশের বাহন। তাইতো বলা হয়েছে ‘‘মানুষের কণ্ঠোচ্চারিত অর্থযুক্ত ধ্বনি সমস্টিই ভাষা’’। আর এ ভাষা পৃথিবীর বিভিন্ন জনপদের ভিন্ন ভিন্ন। যেমন বাঙালি জাতির ভাষা বাংলা। এই বাংলা ভাষা ভারতীয় কথ্য ভাষার প্রাচীন প্রাকৃত (খৃ.পূ.৫০০) হতে গৌড়ীয় প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে বাংলার জন্ম হয়েছে।

বাংলা ভাষার যেমন আছে পরিশীলিত রূপ তেমনি অঞ্চল ভিত্তিক গ্রামীণ জনপদে প্রচলিত রয়েছে আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা।

ভৌগোলিক কারণে হোক বা শারীরিক গঠনের জন্য হোক রংপুরের শিক্ষিতজনেরা বাংলাদেশের অনেক জেলার অপেক্ষা পরিশীলিত ভাষায় কথা বলতে পারেন। তাদের উচ্চারণে কোন বিকৃতি নেই, নেই অস্পষ্টতা। তারা অনায়াসে আঞ্চলিকতা সম্পন্ন ভাষা বা উচ্চারণ পরিহার করতে পারেন।

ম্যাকসমূলার বলেছেন ‘‘The real and natural life of language is in its dialects’’. ভাষার প্রকৃত ও স্বাভাবিক জীবন তার উপভাষাগুলিতে। উল্লেখ্য বাংলাভাষাও তার ব্যতিক্রম নয়। রংপুরেও পরিশীলিত ও মার্জিত ভাষার সমান্তরাল রংপুরের প্রামাঞ্চলে প্রচলিত রয়েছে।

আঞ্চলিক ভাষা, যখন এ গ্রামাঞ্চলের জনপদে উদ্ভব হয়েছে নিঃসন্দেহে সে সময় হতে গ্রামীণ জনপদ আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে আসছে। এ ভাষার উচ্চারণগত সহজবোধ্যতা, সাবলীলতা ও শ্রুতিমাধুর্য অসামান্য। আর এ আঞ্চলিক ভাষায় রচিত হয়েছে সাহিত্য-সঙ্গীত, প্রবাদ-প্রবচন, ছড়া, গীত ইত্যাদি যা মানুষের আনন্দের উপকরণ। রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত সমৃদ্ধ সাহিত্যকর্মের মাত্র কটির নাম করা হলো, ষোড়শ শতকের কবি মুহম্মদ কালার নেজাম পাগলার কেচ্ছা , অষ্টাদশ শতকের কবি হেয়াত মামুদের রচনায় রংপুরের আঞ্চলিক ভাষার অনেক শব্দ রয়েছে ।বেগম রোকেয়ার রচনায় রংপুরের আঞ্চলিক ভাষার শব্দাবলীও আছে । পরবর্তী সময়ে নাট্যকার তুলসী লাহিড়ীর ছেঁড়াতার, সৈয়দ শামসুল হক এর নুরলদীনের সারাজীবন, নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদেরহামার অমপুর, আবুলকাশেমের হামার দ্যাশ হারাগাছ, সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মরা মানুষের মিছিল,আনিসুল হক এর নাল পিরান, মকসুদুল হক এর শঙ্খামারীর ঘাট, সাখাওয়াত হোসেনের বাহে নিধূয়া পাথার, নাসিমুজ্জমান পান্নার নাকফুল এবং মতিউর রহমান বসনীয়া রংপুরের ভাষার অভিধান ও অনেক কবিতা লিখেছেন এ ভাষায় । তাছাড়াও অনেকে রংপুরের ভাষা ব্যবহার করেছেন রচনায় এবং মুহষমদ আলীম উদ্দিন তাঁর রংপুর সংবর্তিকা গ্রন্থে রংপুরের ভাষা শিরোনামে প্রবন্ধ রচনা করেছেন ।

 

হাট বাজারের তালিকা

 

Titlesort iconআয়তনচান্দিনা ভিটির সংখ্যাইজারা মূল্যঠিকানা
কুমেদপুর চৌধুরী বাজার১০০০.০০০ বর্গ মিটার২৫০৬৫,০০০/= টাকা মাত্র।গ্রামঃ কুমেদপুর, ডাকঘরঃ বাগদুয়ার,উপজেলাঃ পীরগঞ্জ, জেলাঃ রংপুর।
রসুলপুর বাজার১৫০.০০ বর্গ মিটার১২০৫৫,০০০/=টাকাগ্রামঃ রসুলপুর, ডাকঘরঃ বাগদুয়ার,উপজেলাঃ পীরগঞ্জ, জেলাঃ রংপুর।

গ্রামভিত্তিক লোক সংখ্যাঃ-

২০০১ ইং সালের আদমশুমারীর তথ্য অনুযায়ী

 

 

ক্রঃনং

 

গ্রামের নাম

লোক সংখ্যা

 

 মোট সংখ্যা

 

গ্রামের কোড নং

পুরুষ

নারী

০১

বড়রসুলপুর

১০০৯

৯৬৬

১৯৭৫

১০৩

০২

মাহমুদপুর

৭৮৫

৮৩১

১৬১৬

৬৭১

০৩

হরিপুর

৬৩২

৬৪৫

১২৭৭

৪৪২

০৪

বউলবাড়ী

৪৬১

৪৯৪

৯৫৫

১৩৫

০৫

মিঠারপাড়া

৩৭৮

৩২৩

৭০১

৭১৩

০৬

বাজেশীবপুর

৫৫৪

৫৬৭

১১২১

০৫৮

০৭

পলাশবাড়ী

৩৯২

৪৪৪

৮৩৬

৭৬৮

০৮

রত্নেশ্বরপুর

৪৬৮

৪৪৪

৯১২

৮৫৬

০৯

বগেরবাড়ী

৯৬২

 ৯৬০

১৯২২

০৪৮

১০

বারুদহ

৩২৭

৩০৮

৬৩৫

১২৫

১১

মরারপাড়া

৭৬৫

৭৭৭

১৫৪২

৬৮৮

১২

শীতলপুর

৩৩৪

৩৩৬

৬৭০

৯৩৩

১৩

চন্ডিপুর

৮৫০

৮০৯

১৭৫৭

২২৬

১৪

শরিফেরপাড়া

৩৩৭

৩৫৫

৬৯২

৯০৭

১৫

কুমেদপুর

৬৩৫

৫৯৪

১২২৮

৬৩৩

১৬

দিগদুয়ারী

৬৪৫

৬৪৮

১২৯১

৩৩২

১৭

বেড়াখাই

২৯৩

২৪৩

৫৩৬

১৪৫

১৮

কাঞ্চনপুর

৫০৪

৪৯৪

৯৯৮

৫৫২

খাল ও নদী

 

  এই ইউনিয়নে খাল নেই। তবে কুমেদপুর -শরিফেরপাড়ার নালা নামে একটি নালা আছে। যাহা দিয়ে কুমেদপুর, মরারপাড়া, নতারপাড়া, দিগদুয়ারী,শিতলপুর সহ অনেক গ্রামের প্রবাহিত পানি জালনগাড়ী নামক বিলে আসে।এই বিলের পানি নিঃষ্কাশনের একটি মাত্র পথ এই নালা। এই নালা কুমেদপুর হয়ে শরিফের পাড়া মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আখিরা নদীতে মিশেছে। আবার পলাশবাড়ীর নালা নামে একটি নালা দিয়ে অত্র পলাশবাড়ী,হরিপুর,রসুলপুর,রত্নেশ্বরপুর,বগেরবাড়ী মাঠের পানি নিয়ে বড়দহ নামক বিলে গিয়ে পড়েছে।এই ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে 'আখিরা নদী'নামে একটি নদী প্রবাহিত ।এই আখিরা নদীর তীর ঘেষঁএ আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ ভবন দাঁড়িয়ে আছে। আল্লাহ না করুক ইতিমধ্যে পরিষদ ভবন সংরক্ষনের জন্য এখানে কংক্রিটের দেয়াল না দিলে যে কোন বছর এই ভবন নদীতে পড়ে যাবে।

 

 

ইউনিয়ন মানবাধিকার আইন সহায়তা ও বিচার সালিশী বোর্ড

                                                                                                                              তারিখঃ ০৩/০৯/২০১৩খ্রিঃ।

 

বিষয়ঃ ৪নং কুমেদপুর ইউনিয়নের“ইউনিয়ন মানবাধিকার  আইন সহায়তা ও বিচার সালিশী বোর্ড-এর সদস্যদের নামের তালিকাঃ /২০১৩।

 

ক্রমিক নং

         সদস্যের নাম

  মোবাইল নং

   গ্রাম

  পদবী

ওয়ার্ড

০১

মোঃ আব্দুস ছালেক বি,এস-সি

চেয়ারম্যান, ৪নং কুমেদপুর ইউ,পি

 ০১৭১২-২২৬৮৭৭

 

মরারপাড়া

সভাপতি

 

০২

মোছাঃ শিরিনা বেগম (ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৮৪-৭০৫০৯৮

মাহমুদপুর

সদস্য

১,২,৩

০৩

মোছাঃ বিলকিছ বেগম(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৫১-১৬১৯১৫

মরারপাড়া

সদস্য

৪,৫,৬

০৪

 শ্রীমতি আন্নাধিকারী(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৫০-৭৪১২৪৪

কাঞ্চনপুর

সদস্য

৭,৮,৯

০৫

মোঃ সাইফুল ইসলাম(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৩৭-৫৮১২৭৮

রসুলপুর

সদস্য

০৬

মোঃ হারুন-অর-রশিদ(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৮৩-১৬৬১৪৭

বউলবাড়ী

সদস্য

০৭

মোঃ আব্দুল কাইয়্যুম মন্ডল (ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৫১-৫৫৩৩২১

মিঠারপাড়া

সদস্য

০৮

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭২১-০১২৮১৭

রত্নেশ্বরপুর

সদস্য

০৯

মোঃ মোস্তাফিজার রহমান (সাথী)

 ( ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৪২-৪৯২০২০

বগেরবাড়ী

সদস্য

১০

মোঃ মকবুল হোসেন(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭৪৬-৬০৪২২৬

মরারপাড়া

সদস্য

১১

মোঃ  শহিদুল ইসলাম(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭২২-৭৩৩০৮৫

শরিফেরপাড়া

সস্য

১২

মোঃ ছাইদুর রহমান(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭২৯-৫১৪৮৯৫

কুমেদপুর

সদস্য

১৩

মোঃ সিরাজুল ইসলাম(ইউ,পি,সদস্য)

০১৭২২-০৮০০৭৪

বেড়াখাই

সদস্য

১৪

 মোছাঃ রেবেকা সুলতানা

       ( সচিব)

০১৭৩৭৯৯৩৩২০

চকবর খোদা

সদস্য

১৫

মোঃ মনোয়ার হোসেন

    উদ্যোক্তা,

কুমেদপুর ইউনিয়ন( UISC)

০১৭৮৪-৫৮১৭৬৭

শরিফেরপাড়া

সদস্য

১৬

মোঃ মফিজুল ইসলাম খাঁন

 

রসুলপুর

সদস্য

১৭

সৈয়দ শওকত আলী

০১৭৪৪-৩১৯০৬৭

মাহমুদপুর

সদস্য

১৮

মোঃ রাজা মিয়া

০১৭১০-০৪৯১৫৬

হরিপুর

সদস্য

১৯

মোঃ মুঞ্জুর হোসেন

 

বউলবাড়ী

সদস্য

২০

মোঃ খাজা নাজিম উদ্দিন

 

মিঠারপাড়া

সদস্য

২১

মোঃ আলমগীর হোসেন

০১৭৬০-৫৫৫১৩৯

শীবপুর

সদস্য

২২

মোঃ আব্দুল বাতেন সরকার

০১৭৫০-৮৮২৮৪৮

পলাশবাড়ী

সদস্য

২৩

মোঃ নকিবুল হক

 

রত্নেশ্বরপুর

সদস্য

২৪

মোঃ মোস্তাফিজার রহমান

০১৭৩৮-৩৪১৪৬৮

বগেরবাড়ী

সদস্য

২৫

মোঃ আব্দুল মালেক

 

বারুদহ

সদস্য

২৬

মোঃ গোলাম রব্বানী(এস্তাদুল)

 

মরারপাড়া

সদস্য

২৭

মোঃ আব্দুর রউফ

 

শীতলপুর

সদস্য

২৮

মোঃ মোশাররফ হোসেন(শিক্ষক)

০১৭৩৭-৭১০২৮৯

চন্ডিপুর

সদস্য

২৯

মোঃ আব্দুল কাদের

 

শরিফেরপাড়া

সদস্য

৩০

মোঃ আবু কালাম আজাদ

০১৭৩৮-২৮২০১১

দিগদুয়ারী

সদস্য

৩১

মোঃ শাহিনুর আলম

 

কুমেদপুর

সদস্য

৩২

মোঃ গোলাম মস্তফা

০১৭৬৩-০৫১৫৮৬

বেড়াখাই

সদস্য

৩৩

মোঃ আব্দুল মাজেদ

০১৭২২-৯৩০২১২

কাঞ্চনপুর

সদস্য

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা

শাখা/জেলা/উপজেলার/ইউনিয়নের নাম: 
রংপুর/পীরগঞ্জ/৪নং কুমেদপুর
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: 
Tue, 09/07/2010
ছবি: 
নিজ জেলা: 
রংপুর

মোঃ সুলতান মাহমুদ

 

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে স্বাগত। এই অফিসটির অবস্থান কুমেদপুর ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন। এই সেবা কেন্দ্রটি এই ইউনিয়নের জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা প্রদানের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। নিয়মিত চিকিৎসকগন অবস্থান করে নিয়মিত জনসাধারনকে সেবা প্রদান করে থাকেণ। সেবা নিন ভাল থাকুন।

প্রজনন স্বাস্থ্য (RH)

প্রজনন স্বাস্থ্য হচ্ছে জীবনের প্রতিটি ধাপে প্রজননতন্ত্র সম্পর্কীয় একটি পরিপূর্ণ দৈহিক, মানসিক এবং সামাজিক কল্যাণের সামগ্রিক অবস্থা । প্রজনন স্বাস্থ্য বলতে বুঝায় একজন মানুষ সন্তোষজনক এবং নিরাপদ যৌন জীবনযাপন করতে পারবে, প্রজননে সক্ষম হবে এবং কখন, কোথায় ও কিভাবে একাজ করবে সে ব্যাপারে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)।

প্রজনন স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা থেকে বুঝা যায় যে, সকল নারী ও পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক সব ধরণের তথ্য পাবার অধিকার রয়েছে; নিরাপদ, কার্যকরী ও ইচ্ছানুযায়ী সহজ লভ্য পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহনের অধিকার রয়েছে; উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের অধিকার এবং একজন নারীর স্বেচ্ছায় গর্ভধারণ, গর্ভকালীন সেবা ও সুস্থ শিশুর জন্মদানের অধিকার রয়েছে।

 

প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহ

·        পরিবার পরিকল্পনাঃ উন্নত প্রজনন স্বাস্থ্য  নিশ্চিতকরণে পরিকল্পিত পরিবার গঠণ অত্যন্ত জরুরি। পরিকল্পিত পরিবারের জন্য দম্পতিদের স্থায়ী-অস্থায়ী পরিবার পরিকল্পনার সব ধরণের পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে উপযুক্ত পদ্ধতি বেছে নেয়া দরকার।

·        মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য পুষ্টিঃএকজন মায়ের পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত দরকার। বিশেষ করে গর্ভকালীন ও গর্ভোত্তর সময়ে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। কেননা একজন সুস্থ মা-ই একটি সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে পারেন। শিশুর জন্মের পর থেকেই পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য জন্মের পরপরই শিশুকে মায়ের দুধ দেয়া, ৬মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো, এর পর শিশুকে বাড়তি খাবার দেয়া এবং এর পাশাপাশি ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ চালিয়ে গেলে শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব।

·        আরটিআই/এসটিআই ও এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণঃ যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের দেশের নারী-পুরুষের সঠিক জ্ঞান না থাকার ফলে বিভিন্ন ধরণের যৌন রোগের সংক্রমন ঘটে। এ ছাড়া বিষয়টি লজ্জার মনে করে সঠিক চিকিৎসাও নেয়া হয় না। তাই সঠিক সময়ে স্বামী-স্ত্রী/যৌনসঙ্গীরা একই সঙ্গে সুচিকিৎসা নিলে পরবর্তীতে এ ধরণের সংক্রমনের সুযোগ থাকে না এবং জটিলতাও সৃষ্টি হয়।

·        কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য পরিচর্যাঃ বয়ঃসন্ধিকালই জীবন গঠণের উপযুক্ত সময়। তাই এ সময় থেকেই প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষা নেয়া প্রয়োজন। কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় পর্যায়সহ জেলা পর্যায়ের সকল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

·        গর্ভপাত প্রতিরোধ ও গর্ভপাতজনিত জটিলতার ব্যবস্থাপনাঃ মাতৃ-মৃত্যুর একটি প্রধান কারন হচ্ছে অনিরাপদ গর্ভপাত এবং এর জটিলতা। কাজেই প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতির লক্ষ্যে অনিরাপদ গর্ভপাত রোধ করা এবং গর্ভপাত সংক্রান্ত যে কোন জটিলতায় জরুরি চিকিৎসা নেয়া একান্ত প্রয়োজন।

·        যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষা এবং সচেতনতা, পুরুযের প্রজনন স্বাস্থ্য এরং তাঁদের অংশ গ্রহণঃ যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের দেশে নারী-পুরুষ উভয়েরই সঠিক ধারণা নেই। ফলে এরা সহজেই নানাবিধ ঝুঁকির সম্মুখীন হয় এবং নানা ধরণের যৌন রোগে আক্রান্ত হয়। কাজেই উভয়কেই এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সঠিক পরামর্শ গ্রহণে পুরুষদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

·        স্তন ও প্রজননতন্ত্রের ক্যান্সারসহ অন্যান্য স্ত্রী রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণঃ মহিলাদের মৃত্যুর একটি প্রধান কারন হলো স্তন ও প্রজননতন্ত্রের ক্যান্সার। এ বিষয়ে অজ্ঞতার কারনে মহিলারা সাধারণতঃ জটিলতার শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে সঠিক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় না এবং মৃত্যুও রোধ করা যায় না। বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ের সকল বিশেষায়িত হাসপাতাল, সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা পর্যায়ের সদর হাসপাতাল এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রসহ নির্বাচিত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে স্তন ও জরায়ু মুখের ক্যান্সার পূর্বাবস্থা নির্ণয়ে স্ক্রিনিং সেবা চালু করা হয়েছে। কাজেই এ বিষয়ে লজ্জা না করে ৩০বছর এবং তদোর্ধ্ব সকল মহিলাদের জরুরি ভিত্তিতে উক্ত সেবা গ্রহণ করা উচিত।

·        নারী ও শিশু নির্যাতনঃ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সকলকে সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

·        বন্ধ্যাত্ব এবং অন্যান্য যৌন সমস্যা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণঃআমাদের দেশে বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে নানা ধরণের কুসংস্কার ও ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এ সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা প্রতিটি নারী ও পুরুষের জন্য জরুরি। তাই বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু চিকিৎসা ও পরামর্শ নেয়া একান্ত প্রয়োজন

প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার জন্য করণীয়

·        নিয়মিত প্রজনন অঙ্গ পরিস্কার রাখা প্রয়োজন।

·        শিশুদেরকে প্রথম থেকেই প্রজনন অঙ্গের যত্ন নিতে অভ্যস্ত করা প্রয়োজন।

·        প্রজনন অঙ্গ যেন ভেজা না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা দরকার, অন্যথায় ছত্রাক জাতীয় রোগ দেখা দিতে পারে।

·        প্রতিবার পায়খানা-প্রস্রাবের পর ভাল ভাবে প্রজনন অঙ্গ পরিস্কার করা দরকার।

·        প্রজনন অঙ্গে যে কোনো সমস্যা দেখা গেলে লজ্জা না করে দ্রুত ডাক্তার বা পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর পরামর্শ নেয়া এবং চিকিৎসা করা দরকার।

·        প্রতিবার যৌনমিলনের পর নারী-পুরুষ উভয়কেই যৌনাঙ্গ ভাল করে পরিস্কার করা প্রয়োজন।

·        নিরাপদ যৌনজীবনে অভ্যস্ত হওয়া একান্ত প্রয়োজন।

প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ সম্পর্কে তথ্য

প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণের মধ্যে রয়েছে যৌনরোগ ও প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ। যৌনমিলনের মাধ্যমে যেসব সংক্রমণ বা রোগ হয় তাকে যৌনরোগ বলে।

·        লক্ষণ (পুরুষের ক্ষেত্রে)ঃপ্রস্রাবের রাস্তায় পুঁজ, পুরুষাঙ্গে ঘা বা ক্ষত, অন্ডকোষ ব্যথা ও ফোলা, ঘন ঘন প্রস্রাব, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং ব্যথা, কুচকি ফুলে যাওয়া ও ব্যথা ইত্যাদি।

·        লক্ষণ (মহিলাদের ক্ষেত্রে)ঃ যোনিপথে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, যৌনাঙ্গে ক্ষত বা ঘা, যোনিপথে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া, তলপেটের দুই দিকে ব্যথা, কুচকি ফুলে যাওয়া ও ব্যথা, সহবাসের সময় ব্যথা, কোন কোন ক্ষেত্রে জ্বর ইত্যাদি।

·        যেভাবে ছড়ায়ঃ আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে কনডম ছাড়া যৌনমিলনের মাধ্যমে, জীবানুমুক্ত সুচ বা সিরিঞ্জ ব্যবহার না করা, আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করা, আক্রান্ত মা থেকে সন্তানের মাঝে, মাসিকের সময় পরিস্কার কাপড় ব্যবহার না করলে, প্রসব বা গর্ভপাতের সময় নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলেও এই সংক্রমণ ছড়ায়।

·        সংক্রমণের সম্ভাব্য জটিলতাঃ পুরুষ ও মহিলা উভয়ের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা নষ্ট হতে পারে, সন্তান নষ্ট হবার ঝুঁকি বেড়ে যায়, মৃত সন্তান জন্ম দেবার সম্ভবনা থাকে, জরায়ুর মুখে ক্যান্সার হতে পারে, পুরুষের মুত্রনালী সরু হয়ে যেতে পারে।

·        করণীয়ঃ যৌনরোগ সন্দেহ হলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর পরামর্শ নিতে হবে, অবশ্যই নিজের ও যৌনসঙ্গীর (যদি থাকে) এক সঙ্গে চিকিৎসা নিতে হবে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পূর্ণ মেয়াদে ওষুধ ক্ষেতে হবে এবং অন্যান্য বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে, প্রয়োজনে যৌন মিলনের সময় কনডম ব্যবহার করা উচিত।

ইউনিয়ন ক্লিনিক (কুমেদপুর)

 

 কুমেদপুর বাজার হইতে দক্ষিন দিকে ২০০ গজ দূরে।

পরিবার পরিকল্পনা ও মা-শিশু স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জনসংখ্যা সীমিত রাখা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এর উন্নয়ন করা এবং মাতৃ-মৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হার রোধ করা। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এ অফিসটি অবস্থিত।

কি সেবা কিভাবে পাবেন

অস্থায়ী পদ্ধতিঃ¨খাবার বড়ি ¨কনডম ¨ইনজেকশন (FWA)মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে সরবরাহ করে থাকে।

ইমপস্নানন, আই ইউডি ও স্থায়ী পদ্ধতি সমূহ (পুরম্নষ ও মহিলাদের)ঃথানা পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের হেড কোয়াটার ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এবং অস্থায়ী ক্যাম্পে এ সেবা প্রদান করা হয়।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবাসমূহঃ

গর্ভবর্তী ও গর্ভত্তোর সেবাঃস্যাটেলাইট ক্লিনিক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থানা সমূহের হেড কোয়াটার ক্লিনিক, জেলা পর্যায়ে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা গ্রহীতারা উপস্থিত হয়ে (বিনামূল্যে) সেবা গ্রহণ করতে হয়।

প্রসূতি সেবাঃ মান উন্নীত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং জেলা পর্যায়ে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান করা হয় (বিনামূল্যে)। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে প্রসূতি মায়েদের সেবা (বিনামূল্যে) মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান করা হয়।     

প্রজনন স্বাস্থ্য ও কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্য সেবাঃ

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে হেড কোয়াটার ক্লিনিকে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে, স্যাটেলাইট ক্লিনিকে এবং পরিবার কল্যাণ সহকারীদের মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করা হয়।

উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমঃ

বিভিন্ন দিবস ও সেবা সপ্তাহের মাধ্যমে এবং ইউনিয়নের  পরিবার পরিকল্পনা অফিসের অডিও ভিজুয়াল ইউনিট/ভ্যান দ্বারা মিঠাপুকুর উপজেলা ও বিভিন্ন প্রত্যমত্ম অঞ্চলে উদ্বুদ্ধকরণ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা, নিরাপদ মাতৃত্বসেবা বিষয়ে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এছাড়াও ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের মাধ্যমে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়।

ইউনিয়ন ভুমি অফিস

 

 

 

এই অফিসটি মরারপাড়া মৌজায় অবস্থিত হলেও ইহা শীবপুর কাচারী নামে পরিচিত।

কি সেবা কিভাবে পাবেন

 

 

এখানে জমা জমি সক্রান্ত যাবতীয় সেবা পাওয়া যায়।

 

 

প্রাথমিক বিদ্যালয় এর তালিকা

ক্রমিক নংNameপ্রতিষ্ঠাকালপাশের হারপ্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষঅবস্থান
1মিঠারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়১৯৪৭ ইং৯৫%মোঃ মাহাবুবর রহমান
2বগেরবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়১৯৪৩ খ্রি. সরকারী করণ ১৯৭৩,১০০%মোঃ ময়নুল ইসলাম- প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
3চন্ডিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়১৯৩৫ খ্রিঃপাশের হার ১০০%প্রধান শিক্ষক- মোঃ আমিরুজ্জামান
4কুমেদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়১৯৩৬ ইং১০০%বিজয় কুমার ঘোষ
5কাঞ্চনপুর রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়১৬/০৫/২০১১ খ্রি.পাশের হার ২০১১- ১ম শ্রেণি-১০০%, ২য় শ্রেণি-১০০%, ৩য় শ্রেণি-১০০%,৪র্থ শ্রেণি-১০০%,৫ম শ্রেণি-১০০%।মোছা: শিরিনা বেগম
6বাজেশীবপুর রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়১৯৮৮ খ্রি.৯৯%মোঃ আব্দুল মান্নান
7বারুদহ রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়১৯৯১ খ্রি. রেজিষ্ট্রেশন নং-২৯৭৪/১১, তারিখ- ১৬/০৫/১৯৯৫খ্রি. এমপিও ভূক্তির তারিখ- ০১/০৭/৯৫ইংপাশের হার ২০১১- ১ম শ্রেণি-১০০%, ২য় শ্রেণি-১০০%, ৩য় শ্রেণি-১০০%,৪র্থ শ্রেণি-১০০%,৫ম শ্রেণি-১০০%।মো: নূরুজ্জামান
8দিগদুয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১০ খ্রি. রেজিষ্ট্রেশন নং- তারিখ- এমপিও ভূক্তির তারিখ-১০০%।মোছা: লায়লা শিরিনা আফ্রজ বানু
9হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়বিদ্যালয়টি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯-২০০০ইং এ পুন: নির্মাণ হয়।২০১১- ১ম শ্রেণি-১০০%, ২য় শ্রেণি-৯২%, ৩য় শ্রেণি-৮৬%,৪র্থ শ্রেণি-৯৬%,৫ম শ্রেণি-১০০%।ফরিদা ইয়াসমিন
10রসূলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৫ খ্রি. রেজিষ্ট্রেশন নং- তারিখ- এমপিও ভূক্তির তারিখ-১০০%মোছা: জাহানারা বেগম
11মাহামুদপুর তালিম খানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়বিদ্যালয়টি ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।৮৯%সৈয়দ ইকবাল হাসান
12পলাশবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।১৯৪৩ খ্রি. সরকারী করণ ১৯৭৩, তারিখ- এমপিও ভূক্তির তারিখ-১০০%।মো: ছাদেকুল ইসলাম

ছবি


সংযুক্তি

kumedpur..doc kumedpur..doc
VGD-2013-14_0.docx VGD-2013-14_0.docx


Share with :

Facebook Twitter